
আইনেট প্রতিনিধিঃ তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে কর্মরত টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট মুক্তার হোসেনের কাণ্ডজ্ঞানহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে চরম অসন্তোষ ছড়িয়েছে হাসপাতাল চত্বরে। রোগী পরিষেবার ক্ষেত্রে তাঁর অবহেলা ও দায়িত্বহীনতা নিয়ে ইতিমধ্যেই চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মুক্তার হোসেন প্রায়শই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন, রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং এক্স-রে বিভাগের কাজেও গাফিলতি করেন। ফলে বাধ্য হয়ে তাঁর পরিবর্তে প্রায়শই জিডিএ (GDA) কর্মী প্রবীণ কুমার জমাতিয়া এক্স-রে বিভাগে রোগীদের সেবা দিয়ে চলেছেন।বাম আমলে নিয়োগপ্রাপ্ত এই কর্মচারীর বিরুদ্ধে কর্মসংস্কৃতির অভাব ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অভিযোগ দীর্ঘদিনের, কিন্তু এখনো পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে, তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা কল্যাণী সাহা রায় হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।হাসপাতালের সৌন্দর্যায়ন থেকে শুরু করে রোগীদের জন্য উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করতে তিনি প্রশাসনিক স্তরে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।তবে মুক্তার হোসেনের মতো কিছু কর্মচারীর গাফিলতি'তে সেই প্রচেষ্টা বার বার প্রশ্নের মুখে, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। হাসপাতালে গিয়ে প্রত্যক্ষ করা গেল, হাসপাতালে পৌঁছানোর নির্দিষ্ট সময়সীমা ৯:০০ মিঃ হলেও মুক্তার হোসেন হাসপাতালে পৌঁছেছেন প্রায় ১০:৩০ মিঃ নাগাদ। ফলে এক মুমূর্ষ রোগীর এক্স-রে করছেন জিডিএ কর্মী প্রবীণ কুমার জমাতিয়া। এ বিষয়ে মোক্তার হোসেনের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে, তিনি অনেকটা "ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি" অবস্থা। আমতা আমতা করে সংবাদমাধ্যমের সামনে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এর কারণে আগরতলায় ছিলেন, বাইক নষ্ট ইত্যাদি পাহাড় সমান অজুহাত তুলে ধরেন।