
আইনেট প্রতিনিধিঃ কয়েক দিন আগে থেকেই ধর্মনগর পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে চার পাঁচ দিন আগে থেকেই এনাউন্সমেন্ট এবং মৌখিকভাবে জানানো হয়। মৌখিক ভাবে জানানো এবং এনাউন্সমেন্ট এর পরেও যখন ধর্মনগরে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে দখলছারেন নি। তারপর আজ এস ডি এম এবং ধর্মনগর পৌর পরিষদের ঊর্ধ্বতন অধিকর্তা দেবযানী চৌধুরীর নির্দেশে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজার এলাকায় সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে একটি ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।দীর্ঘদিন ধরে ধর্মনগর বাজার, কাপড় বাজার ও সংলগ্ন গলিগুলিতে একাংশ ব্যবসায়ী সরকারি জমি ও রাস্তার উপর অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ফলে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছিল। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে বাজার এলাকায় পথচারীদের চলাচল কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, পূর্বে ধর্মনগর পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে সরকারি জায়গায় ব্যবসা করার জন্য ব্যবসায়ীদের বিকল্প হিসেবে ধর্মনগর সুপার মার্কেট ও সরকারি মার্কেটের ভিতরে ব্যবসার সুব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই সুযোগ পাওয়ার পরও কিছু ব্যবসায়ী ফের রাস্তার উপর দোকান বসিয়ে দখল শুরু করেন। একইভাবে কাপড় বাজার এলাকায় কাপড় ব্যবসায়ীরা সরকারি জায়গার উপর কাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী সাজিয়ে রেখে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।এছাড়াও বাজার সংলগ্ন গলিগুলির দু’পাশের দোকানদাররা তাদের দোকানের অর্থাৎ বাসনথেকে শুরু করে যাবতীয় দীনেশ দিয়ে রাখেন। যার ফলে রাস্তার জিনিসপত্র অর্ধেক রাস্তা দখল করে রাখায় যান চলাচল ও সাধারণ মানুষের হাঁটাচলায় মারাত্মক অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছিল। এরমধ্যে বিশেষ ভাবে চিন্তার বিষয় হল ধর্মনগর বাজারে এমত অবস্থায় কোন ধরনের কোন ধরনের অপ্রীতি কর ঘটনা ঘটে অর্থাৎ যদি আগুন লাগা, পথ দুর্ঘটনা বা যদি অসুস্থ হন তাহলেও বাজারের ভেতরে বসবাসকারী ব্যক্তিদের সংকট মুহূর্তে বাঁচাবার জন্য কোন অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ভেতরে ঢুকার কোন রাস্তা ছিল না। যার ফলে যেকোনো সময় যেকোনো অঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা ছিল। তবে আজকে অতি তৎপরতার শহীত এই অভিযানে পৌর পরিষদের কর্মীরা প্রশাসনের সহায়তায় অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে এবং দখলমুক্ত করা জায়গাগুলি পরিষ্কার করা হয়। পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরের সৌন্দর্য রক্ষা ও জনসাধারণের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে।