
আইনেট প্রতিনিধিঃ ঐতিহ্যবাহী ভুবনেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণের রাজর্ষি মুক্ত মঞ্চে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হলো তিনদিনব্যাপী ২১তম রাজর্ষি উৎসব–২০২৬। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে পর্যটন দপ্তর, উদয়পুর পৌর পরিষদ, গোমতী জেলা পরিষদ এবং মাতাবাড়ি আরডি ব্লক। আগামী ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই উৎসবের নানা কর্মসূচি। উৎসবের শুভ সূচনা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উৎসবের। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার জেলা শাসক রিংকু লাথের, উদয়পুর মহকুমা শাসক প্রদীপ সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজর্ষি উৎসব কমিটি–২০২৬-এর চেয়ারম্যান ও বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া। উদ্বোধনী ভাষণে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান স্মরণ করে বলেন, চন্দ্র-সূর্য যতদিন থাকবে, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ততদিন আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন। তিনি বাঙালীর অলঙ্কার। কবিগুরু বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালীর পরিচয় তুলে ধরেছেন। তাঁর কবিতা, গান ও সাহিত্য মানুষের জীবনের নানা সমস্যার সমাধানের পথ দেখায়।তিনি আরও উল্লেখ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে ত্রিপুরার রাজপরিবারের গভীর সম্পর্ক ছিল। চার প্রজন্মের রাজাদের সঙ্গে কবিগুরুর সুসম্পর্ক বজায় ছিল বলেও জানান তিনি। মৃত্যুর মাত্র তিন মাস আগে তৎকালীন ত্রিপুরার রাজা বীরবিক্রম মাণিক্য বাহাদুর কবিগুরুকে ‘ভারত ভাস্কর’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন বলেও তিনি স্মরণ করান।