
আইনেট প্রতিনিধিঃ দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভুগছিলেন মোহনপুর মহকুমার তমাকারী এলাকার বাসিন্দা রাকেশ দেববর্মা। পেশায় কোঠারি রাকেশ দেববর্মা গত দেড় বছর ধরে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত ।গত সোমবার চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে অটল বিহারী বাজপেয়ি রিজিওনাল ক্যান্সার সেন্টারে ভর্তি করানো হয় ।ভাত এমনকি জল পর্যন্ত খেতে পারছিলেন না তিনি ।হাসপাতালে তার সাথে ছিলেন তার স্ত্রী এবং পুত্র ।শুক্রবার রাত দুইটা পর্যন্ত ঘুম আসছিল না রাকেশ দেববর্মার ।রাত দুটোর পর কিছুটা ঘুমোন তিনি ।তখন ক্লান্তির ভারে ঘুমিয়ে পড়েন তার ছেলে এবং স্ত্রী ।হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে তার পুত্র লক্ষ্য করেন বাবা বিছানায় নেই ।এদিক ওদিক খোঁজাখুঁজির পর বাথরুমে যান তিনি ।কিন্তু বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল ।একাধিকবার বাবাকে ডাকেন পুত্র ।কিন্তু কোন সাড়া পাওয়া যায়নি। প্রায় আধ ঘন্টা সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর পাশের বাথরুমের জানালা দিয়ে উঁকি মেরে পিতার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পুত্র ।সঙ্গে সঙ্গেই তিনি চিৎকার শুরু করেন ।চিৎকার শুনে অন্যান্য রোগীর পরিজন এবং চিকিৎসকরা ছুটে আসেন ।খবর দেওয়া হয় জিবি পুলিশ ফাঁড়িতে ।খবর পেয়ে ছুটে আসে পুলিশ। পুলিশ শৌচালয়ের দরজা ভেঙে রাকেশ দেববর্মার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে। শনিবার মৃত রাকেশ দেববর্মার পুত্র এই সংবাদ জানান।