img


এডিসি নির্বাচন এবং উপনির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেসের রাজ্য কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক


আইনেট  প্রতিনিধিঃ    .আসন্ন এডিসি নির্বাচনে কংগ্রেস ২৮টি আসনেই প্রার্থী দেবে। পাশাপাশি ধর্মনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই সেই নাম ঘোষণা করা হবে। আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আশিস কুমার সাহা। আগামী স্বশাসিত জেলা পরিষদ (এডিসি) নির্বাচন এবং ধর্মনগর বিধানসভা উপনির্বাচনকে সামনে রেখে আজ প্রদেশ কংগ্রেসের রাজ্য কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশীষ কুমার সাহা, বিধায়ক বিরাজিত সিনহা,   শবদা কুমার জামাতিয়া সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতা।   বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশীষ কুমার সাহা জানান, আসন্ন এডিসি নির্বাচনে কংগ্রেস ২৮টি আসনেই প্রার্থী দেবে। পাশাপাশি ধর্মনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রার্থীও চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই সেই নাম ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেন, আজ দলের সমস্ত নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে জয়ের রূপরেখা এবং প্রার্থী তালিকা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর অভিযোগ, ধর্মনগর কেন্দ্রের প্রার্থী আগেভাগে ঘোষণা করে সিপিআই(এম) আসলে শাসক বিজেপিকে সুবিধা করে দিতে চেয়েছে। গতকাল সিপিআই(এম) নেতা জিতেন চৌধুরীর মন্তব্যেরও জবাব দেন তিনি। জিতেন চৌধুরী বলেছিলেন যে পাহাড়ি এলাকায় কংগ্রেসের কোনও ভিত্তি নেই এবং এডিসি নির্বাচনে তারা ব্যর্থ হবে। এর জবাবে অশীষ কুমার সাহা বলেন, ফলাফলই সব কিছু বলে দেবে। তিনি আরও দাবি করেন, সিপিআই(এম)-এর কিছু পদক্ষেপ আসলে পরোক্ষভাবে বিজেপিকে ক্ষমতায় রাখতে সাহায্য করছে।  অন্যদিকে কংগ্রেস বিধায়ক বিরাজিত সিনহা বলেন, ত্রিপুরা জুড়ে বর্তমানে বিজেপি-বিরোধী প্রবল জনমত তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, মানুষ আর বিজেপিকে চাইছে না। কংগ্রেস বড় জয়ের দিকে এগোচ্ছে বুঝেই কমিউনিস্টরা তাড়াহুড়ো করে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতে কংগ্রেস যে ধর্মনগর আসনে লড়েছে, সেই আসনে প্রার্থী ঘোষণার আগে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেনি সিপিআই(এম)। এতে স্পষ্ট যে তারা শাসক দলকেই সুবিধা করে দিতে চাইছে।