
আইনেট প্রতিনিধিঃ সরকারি নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ফটিকরায়ের কৃষ্ণনগর ইটভাটায় শিশু শ্রমের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ঘটনায় নিরব প্রশাসন। যদিও কর্মরত শিশুরা তাদের শ্রমিক নয় বলে দায় এড়ানোর চেষ্টা ভাটা মালিকের। অন্যদিকে শিশু শ্রম আইনে কঠোর আইনি বিধান রয়েছে বলেই জানিয়েছেন কুমারঘাট মহকুমার শ্রম পরিদর্শক।শিশুদেরকে দিয়ে কাজ করানো আইনত দণ্ডনীয়। আইন ভাঙলে এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে অপরাধীকে পড়তে হয় জরিমানা থেকে মামলা মোকদ্দমার বেড়াজালে। কিন্তু সেই শিশুশ্রমের আইনকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন জায়গায় দেদার চলছে শিশুশ্রমের মতো অপরাধের ঘটনা।বিশেষ করে বিভিন্ন প্রান্তে থাকা একাংশ ইটভাটা গুলিতে বেশিরভাগ চলছে এধরনের অবৈধ শিশু শ্রমের ঘটনা।ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায়ের কৃষ্ণনগর ইটভাটাটিতেও দীর্ঘদিন ধরেই চলছে শিশু শ্রমের মতো অপরাধমূলক কাজ। ছোট ছোট শিশুদেরকে দিয়েই সেখানে করানো হচ্ছে ভাটায় ইট নিতে আসা বিভিন্ন গাড়িতে ইট বোঝাই থেকে বিভিন্ন ভারী কাজকর্ম। এই অভিযোগ ছিল দীর্ঘদিনের। অবশেষে সেই অভিযোগেরই সত্যতা ধরা পড়লো সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায়। দেখাগেলো ভাটার ইট গাড়িতে তুলে দেওয়ার কাজ করানো হচ্ছে ছোট ছোট শিশুদেরকে দিয়েই। অভিযোগের কাঠগড়ায় ভাটার মালিক গৌতম সাহা। যদিও এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার অনেক চেষ্টা করলেন ভাটার মালিক। ঘটনাটিকে আড়াল করতে পর পর দুবার দুই অজুহাত দেখালেন তিনি।তার প্রথম দাবি, বহিঃ রাজ্যের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন শ্রমিক কাজ করেন তার ভাটাতে। কাজের নিরিখে বিভিন্ন চুক্তিতেই কাজ করেন তারা। শিশুদেরকে দিয়ে কাজ করানোর প্রসঙ্গে তার প্রথম দাবি শিশুরা তার মা-বাবার সঙ্গে সাহায্য করে কাজের ক্ষেত্রে। ভাটায় শিশুদের সঙ্গে তিনি প্রায়শই ছবি তোলেন, চকলেট খাওয়ান বলে আইন ভেঙে কাজ করানো শিশুদের প্রতি অন ক্যামেরায় শিশু প্রেম দেখালেন ঐ ভাটার মালিক। প্রথমে শুনুন ভাটার মালিক গৌতম সাহার প্রথম দাবি।