img


রাজ্যের প্রবেশদ্বার চুরাইবাড়িতে বিকল ওয়েট ব্রিজ।


আইনেট  প্রতিনিধিঃ  প্রায় এক মাস ধরে বিকল রাজ্যের প্রবেশদ্বার চুরাইবাড়ি মর্ডানাইসড চেকপোস্টের ওয়েট ব্রিজগুলো। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অবাধে রাজ্যে প্রবেশ করছে অভারলোড বোঝাই বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী থেকে শুরু করে ভাঙ্গা পাথর ও বোল্ডার। এতে বাঁকা পথে রাতারাতি মুনাফা কামাচ্ছেন চুরাইবাড়ি পরিবহন দপ্তরের একাংশ কর্মী ও একাংশ পাথর ব্যবসায়ীরা। যেখানে প্রতিমাসে ত্রিপুরা রাজ্য সরকার এই চুরাইবাড়ি গেইট থেকে পঞ্চাশ থেকে ষাট লক্ষ টাকার রাজস্ব আদায় করতো সেখানে আজ একমাস অতিক্রান্ত হতে যাচ্ছে কিন্তু সরকার সেখান থেকে এক টাকারও রাজস্ব আদায় করতে পারেনি। তার একমাত্র কারণ  ওয়েটব্রিজ গুলো বিকল হয়ে পড়া। ষাট টন ভর বহনকারী দুটি ওয়েট ব্রিজই বিকল।যদিও চুরাইবাড়ির পরিবহন দপ্তরের ইনচার্জ সেই বিষয়টি ধর্মনগর ডিটিও সাহেবের নিকট জানিয়েছেন এবং তিনিও যথারীতি আগরতলা তাদের হেড অফিসে লিখিত আকারে জানিয়েছেন তার পরেও অজ্ঞাত কারণে রাজ্য সরকার ও পরিবহন দপ্তর সেই বিষয়ে মুখে কুলুপ এঁটে বসে রয়েছে। জেলা পরিবহন আধিকারিক ভবেশ চন্দ্র ভদ্র জানিয়েছেন ওয়েট ব্রিজ গুলো নষ্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি আগরতলাস্থিত হেড অফিসে লিখিত আকারে জানিয়েছেন এবং প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মতো বাজেট ধরে দিয়েছেন তা মেরামতের জন্য। এতে দফতর অনেকটা উদাসীন মনোভাব পোষণ করছে বলে ধারণা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে ,একমাস পূর্বে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা উত্তর জেলা সফরের সময় চুরাইবাড়িতেও ঝটিকা সফর করেন এবং সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখে তিনি পরিবহন দফতরকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন যাতে বিনা রাজস্ব আদায়ে কোনোভাবেই বহিঃরাজ্য থেকে অভারলোড বোঝাই কোনো সামগ্রী যাতে রাজ্যে প্রবেশ না করে। আর এর ঠিক পনেরো দিনের মাথায় ওয়েট ব্রিজগুলো বিকল হয় এবং বিনা বাঁধায় ওভারলোড নিয়ে অবাধে রাজ্যে প্রবেশ করছে এবং এর ফলে রাজ্য সরকারও লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব মার খাচ্ছে। বিশেষ করে দেখা যাচ্ছে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত একাংশ পাথর ব্যবসায়ীরা এর মুনাফা নিচ্ছে। অধিকাংশ সময় রাতের অন্ধকারে শত শত ডাম্পার গাড়ি অভার লোড পাথর বোঝাই করে রাজ্যে প্রবেশ করছে।