img


: নারী শক্তি অধিনিয়ম বিল পাসে সকল বিধায়ক বিধায়িকাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন চিফ হুইপ কল্যাণী সাহা যায় :


  আইনেট  প্রতিনিধিঃ    রাজ্য বিধানসভার ১৭ জন সদস্যের চিঠি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার একদিনের বিশেষ অধিবেশন ডাকেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রাম পদ জমাতিয়া ।  বৃহস্পতিবার এই বিধানসভার অধিবেশনে নারী শক্তি অধিনিয়ম বিল এর স্বপক্ষে বক্তব্য রাখেন রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায়। ভারতীয় নারীদের সাংবিধানিক অধিকারকে আরো সুদৃঢ় এবং সুরক্ষিত করার লক্ষ্যে এই বিল পাস একান্ত প্রয়োজন বলে জানান তিনি ।তিনি বলেন, এই আইন দেশের মহিলাদের জন্য ,যারা দেশের অর্ধেক ভোটার ,তারা দেশের সরকার গড়তে এগিয়ে আসেন ।তাদের সাংবিধানিক অধিকার দেওয়ার জন্য এই বিশেষ আইন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নারীর শক্তির উপর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে ।তার এই আস্থার নমুনা আমরা প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন যোজনা গুলিতে পরিলক্ষিত করতে পারি ।মহিলাদের আত্মনির্ভর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা মহিলাদের নামে করেছেন তিনি ।সোচালয় প্রকল্পও নারীদের নামে ।এভাবে মহিলাদের আত্মনির্ভর করতে লাখপতি দিদি থেকে শুরু করে বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রভৃতি যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ পরিলক্ষিত হয় ।মুখ্য সচেতক আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে মহিলাদের গুরুত্ব দিতে চেয়েছিলেন ।বিকশিত ভারত নির্মাণে মহিলারাও যেন ভূমিকা নিতে পারে তার চেষ্টা করেছিলেন ।তাই ২০২৩ সালে পাশ হওয়া এই বিলে কিছুটা সংশোধনী এনে লোকসভার বিশেষ অধিবেশনে তা পাস করাতে চেয়েছিলেন ।কিন্তু অধিবেশনে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে বিরোধীরা এর বিরোধিতা করেন।মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় জানান ,৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ বিরোধীরা মেনে নিতে পারেনি ।তাই তাদের এই বিরোধিতা ।বিশেষ অধিবেশনে ১৩০ জন বক্তার মধ্যে ৫৬ জন মহিলারাও এর বিরোধিতা করেছিলেন। তাদের উচিত ছিল এই বিলটিকে সমর্থন করা ।এটা দুর্ভাগ্যের বিষয় ,তারা এই বিলটিকে সমর্থন করেননি।