
আইনেট প্রতিনিধিঃ মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সারা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের হাহাকার লেগে গেছে। বিশেষ করে ইরানের জলসীমায় থাকা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার কারণেই বিশ্বে এই হাহাকার দেখা দিয়েছে। সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ আমেরিকা এবং ইরান একে অপরের বিরুদ্ধে পরমাণু বোমা ব্যবহার করার হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বের অবস্থা কোন জায়গায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে বিশ্ববাসী। যার প্রভাব সারা বিশ্বের পাশাপাশি ভারতেও পড়েছে। একদিকে ইরান যখন তাদের জলসীমায় থাকা হরমুজ প্রণালী বন্ধ করেছে, ঠিক তেমনি ইরানের সেই অবরোধকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে মার্কিন সেনা। যার ফলে বিশ্বের জ্বালানি তেলের ২০ শতাংশ আমদানি-রপ্তানির পথ হরমুজ প্রণালী বর্তমানে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে। কোনো তেলের ট্যাঙ্কার সেই পথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারছে না।
স্বাভাবিকভাবেই, সারা বিশ্বে যে কোনো মুহূর্তে বড়সড় জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই অবস্থায় জ্বালানির সাশ্রয় করে অপব্যবহার রুখার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি সকলেই তাঁদের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ইতিমধ্যেই কমিয়ে নেওয়া হয়েছে কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা। এবার সেই পথে হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। তাঁর কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বর্তমানে চার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫০ শতাংশ গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি সরকারি কর্মচারীকে 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' করার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান— দেশে জ্বালানির সংকট নেই, তবে 'প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর'। জ্বালানিকে সাশ্রয় করার জন্য আমরা আগাম সতর্কতা নিতেই পারি।