img


বিদ্যুতের সমস্যায় নাজেহাল ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমা এলাকার মানুষ।


আইনেট  প্রতিনিধিঃ    বিদ্যুতের সমস্যায় নাজেহাল ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমা এলাকার মানুষ। বিশেষকরে গ্রামাঞ্চলে চরম আকার নিয়েছে এই সমস্যা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্চ দিতে পারছেননা চালকরা। ফলে দৈনন্দিন উপার্যনে টান পড়েছে তাদের। রোজগার না হওয়াতে পরিবার চালাতে গিয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে দরিদ্র ই-রিক্সা চালকদেরকে। শীঘ্রই বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জোরালো দাবি ই-রিক্সা চালকদের। দেশকে উন্নত করতে ডিজিটাল ভারতের স্লোগান তুলেছে বর্তমান সরকার। সেই ডিজিটাল ভারতের অঙ্গ হিসেবে রাস্তায় নেমেছে ব্যাটারি চালিত ছোট বড় বিভিন্ন যানবাহন। বিশেষ করে দেশের ছোট শহর ও গ্রামাঞ্চলে এখন অনেক পরিবারের রুজি রুটির একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই ই-রিকশা। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায়‌ই এখনো বিদ্যুৎ পরিষেবা উন্নত করতে পারেনি সরকার। যার ফলে সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যাটারি চালিত যানচালকদেরকে।

দিনের পর দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের সমস্যা। বিশেষ করে ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার কুমারঘাট মহকুমার শহর সংলগ্ন এলাকা ও গ্রামাঞ্চলে মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। এতেকরে ই-রিক্সার ব্যাটারি চার্জ দিতে পারছেননা চালকেরা। ফলে রোজগারে টান পড়েছে তাদের। ফলে মাসিক কিস্তি দিতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অনেককে। বাইরে চার্জ দিতে গিয়েও বেশি টাকা খরচ হচ্ছে চালকদের। এবিষয়ে মিঠুন মজুমদার নামে এক ই-রিক্সাচালক জানান, বিদ্যুতের সমস্যায় প্রচন্ডভাবে ভুগতে হচ্ছে তাদেরকে। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে সকালেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে দেখা মেলেনা বিদ্যুতের। ফলে গাড়িতে চার্জ না থাকাতে রোজগার করতে পারেননা তারা। তার বাড়ি ফটিকরায় বিধানসভার রাজনগর গ্রামে। এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকাতে শহরে গিয়ে টাকা দিয়ে গাড়ী চার্জ করতে হয় তাদেরকে। এতে করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। পরিবার চালানোর তাগিদে বাইরে টাকা দিয়ে হলেও গাড়ি চার্জ করে রোজগার করতে হচ্ছে বাধ্য হচ্ছেন তারা। তিনি বলেন আগে পেট্রোল চালিত গাড়ি চালাতেন তিনি। বর্তমানে এসব গাড়ির রোজগার কমে যাওয়ায় এই ই-রিক্সা কিনতে হয়েছে তাকে। এটার আয় দিয়েই চলে তাদের সংসার। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুত না থাকাতে পরিবার চালাতেও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাকে।