
আইনেট প্রতিনিধিঃ মায়ানমার থেকে আসাম এবং মেঘালয়ের সীমান্ত হয়ে ত্রিপুরাকে নেশা কারবারের একটা কমলা করিডোর বানিয়েছে আন্তর্জাতিক নেশা কারবারিরা ।ত্রিপুরা হয়ে নেশা সামগ্রী যাচ্ছে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বাংলাদেশে। ত্রিপুরা করিডোড়ের নির্দেশনা রয়েছে আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের রাঘব বোয়ালরা। আর এই অরেঞ্জ করিডোর এর পরিচালনায় রয়েছে বাংলাদেশের কুখ্যাত নেশা কাররা ।এর সহযোগিতায় রয়েছে রাজ্যের কিছু নেশা কারবারি । মূলত ইয়াবা, কোকেন ,মরফিন জাতীয় নেশা সামগ্রী এই পথে বাংলাদেশে পাচার হয়ে থাকে ।এই খবর রাজ্য পুলিশ, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ,বিএসএফ এবং সিআরপিএফের গোয়েন্দা শাখার কাছে রয়েছে ।কিন্তু পুলিশ প্রশাসন এই বিষয়ে কোন আভাস পাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কিছু শুভবুদ্ধি সম্পন্ন যুবকদের তৎপরতায় এই আন্তর্জাতিক নেশা কারবারের খানিকটা পর্দা ফাঁস হলো। এদিন যুবকরা রাজধানীর সিদ্ধি আশ্রম সংলগ্ন এলাকার মোবাইল বাজার নামে এক দোকানে তাদের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ছানবিন চালায় । সিদ্ধি আশ্রমের এই দোকান থেকে তারা কোন কিছুই পায়নি।তবে জানতে পারে, এই দোকান মালিকের নাম আদিত্য দাস, তার বাড়ি কমলপুরের মানিক ভান্ডার এলাকায় ।বর্তমানে পক্সো আইনে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দী সে। এই আদিত্য দাসের আগরতলার লক্ষ্মীনারায়ন বাড়ির রোডস্থিত মোবাইল বাজার নামে আরও একটি মোবাইলের দোকান রয়েছে। যুবকরা পূর্ব থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে লক্ষ্মীনারায়ণবাড়ি রোডস্হিত মোবাইল বাজার নামের দোকানে ছিনবিন চালায় ।পুলিশ এবং যুবকদের যৌথ তল্লাশি কালে এই দোকান থেকে প্রচুর নিষিদ্ধ এসকপ সিরাপ এবং ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয় ।এদিন স্থানীয় যুবকদের মধ্যে একজন এই চাঞ্চল্যকর সংবাদ জানান।