
আইনেট প্রতিনিধিঃ আগামী ১৬ই জুলাই অনুষ্ঠীত হতেযাচ্ছে রথযাত্রা অনুষ্ঠান। বাঙ্গালীর বারোমাসে ১৩ পার্বন। এই পার্বনগুলোর মধ্যে রয়েছে রথযাত্রা অনুষ্ঠান। ধর্মীয় রিতি অনুযায়ী আগামী ১৬ তারিখ রথেচড়ে ভগবান জগন্নাথ,বলরাম ও শুভদ্রা মাসির বাড়ীতে যাবেন। শান্তির বাজার মহকুমায় বিভিন্ন জায়গায় বড় ও ছোট আকারে রথযাত্রা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠীত করাহয়েথাকে। রথযাত্রা অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডীত করতে শান্তির বাজার মহকুমাশাসকের কার্যালয়ে রথযাত্রা কমিটির সদস্য ও বিভিন্ন লাইন ডিপার্টমেন্টের সদস্যদের নিয়ে এক আলোচনা সভার আয়োজন করাহয়। এই আলোলচনা সভায় রথযাত্রা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠীত হবার সময় কিপ্রকারের নিরাপত্তার প্রয়োজন এবং লোকজনদের সুরক্ষায় রথযাত্রা কমিটি কি কি করনীয় প্রয়োজন তানিয়ে আলোচনা করাহয়। তবে আজকের এই আলোচনাসভায় ছোট আকারে আয়োজিত রথ যাত্রা কমিটিকে আমন্ত্রন করাহয়নি। এইবিষয়ে শান্তির বাজার পৌর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জানান সকলকে আমন্ত্রন করাপ্রয়োজন ছিলো। দুর্ঘটনা ঘটার সময় ছোট বড় কিছু দেখেহবেনা। তাই রথযাত্রায় আগত দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় কি কি করনীয় প্রয়োজ তা সকলকে জানান দেওয়াপ্রয়োজন। রথযাত্রা অনুষ্ঠানে সকলকে সবকিছুর প্রস্তুতি রাখা প্রয়োজন। যারমধ্যে বিশেষ করেরয়েছে রথযাত্রা চলাকালিন সময়ে যানজট মুক্তরাখা, রথের উচ্চতা কতটুকু রাখা প্রয়োজন, রথ চলাকালিন বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা এছারা আরো অনেকবিষয়ে জানান দেওয়াপ্রয়োজন। শান্তির বাজার মহকুমাশাসক তরুন কান্তি সরকার শুধুমাত্র বড় আকারে আয়োজিত রথযাত্রা কমিটিকে আমন্ত্রন জানানোতে সকলে অসন্তোষ প্রকাশকরেন। এছারা আলোচনা সভায় বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং একটি প্রস্তাব রাখেন। যাতেকরে কোনো রথযাত্রা কমিটি রথ টানার জন্য হাতি বা অন্যান্য পশুকে ব্যাবহার নাকরে। বিগতদিনে হাতি ও ঘোড়া দিয়ে রথ টানার ফলে বিভিন্নধরনের দুর্ঘটনাঘটেছে। তাই দুর্ঘটনা এরাতে রথযাত্রায় যাতেকরে কোনোপ্রকার পশু ব্যাবহার নাকরে তানিয়ে আলোচনা করাহয়। আজকের এই আলোচনা সভাশেষে আলোচনার মূল আলোচ্যবিষয়গুলো সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলেধরেন শান্তির বাজার মহকুমাশাসক তরুন কান্তি সরকার। এখন দেখার বিষয় এই আলোচনার আলোচ্যবিষয়গুলো রথযাত্রার দিন কতটুকু কার্যকরহয়।