img


তেলিয়ামুড়ার মহিন্দ্রা ই-রিক্সা শোরুম ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগে তীব্র বিক্ষোভ!


আইনেট  প্রতিনিধিঃ     দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে শুক্রবার এক ঝাঁক ই-রিক্সা চালকরা এই ই-রিক্সা শোরুমটিতে জড়ো হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে।

           শোরুমের গ্রাহক হয়রানি, বিক্রয়োত্তর পরিষেবায় চরম অব্যবস্থা, রেজিস্ট্রেশনের নামে হয়রানি, সার্ভিসিং-এর অতিরিক্ত অর্থ আদায়সব মিলিয়ে শুক্রবার রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শোরুম চত্বর। এই ঘটনার খবর সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে ফোন করে বিভিন্ন জুজু দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনেও কোনো খামতি রাখেনি শোরুম কর্তৃপক্ষ।

              ই-রিক্সা চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই শোরুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার সুমন ইচ্ছেমতো গ্রাহকদের সঙ্গে আচরণ করে আসছেন। ই-রিক্সা বিক্রি করার সময় নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও গাড়ি হাতে পাওয়ার পর শুরু হয় ভোগান্তি। সামান্য যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলেও তেলিয়ামুড়ায় কোনো স্থায়ী সার্ভিসিংয়ের ব্যবস্থা নেই। চালকদের কখনও আগরতলায় গাড়ি নিয়ে যেতে বলা হয়, আবার কখনও দুই থেকে তিন দিন অপেক্ষা করতে বলা হয় যাতে আগরতলা থেকে সার্ভিসিং কর্মী এসে কাজ করতে পারেন। অভিযোগ, এতদিন গাড়ি বন্ধ থাকায় দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল চালকদের চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

          অভিযোগ আরও গুরুতর। চালকদের দাবি, দুই থেকে তিন দিন পর সার্ভিসিং কর্মী তেলিয়ামুড়ায় এলেও সেই পরিষেবার জন্য অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক বেশি টাকা আদায় করা হয়। শুধু তাই নয়, এই অর্থ নেওয়ার পরও কোনো বৈধ বিল বা রসিদ দেওয়া হয় না। ফলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে ক্ষোভ বাড়তেই থাকে ই-রিক্সা চালকদের মধ্যে।

               শুধু সার্ভিসিং নয়, নতুন ই-রিক্সা কেনার পর রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও নাকি সীমাহীন হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকরা। অভিযোগ, মাসের পর মাস ঘোরানোর পরও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে না। যাতে করে রেজিস্ট্রেশন বিহীন বহু ই-রিক্সা ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে গোটা তেলিয়ামুড়া শহর জুড়ে।

            এছাড়াও, শোরুম থেকে যেকোনো যন্ত্রাংশ কিনতে গেলেও বাজারদরের তুলনায় বেশি দাম নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।