
আইনেট প্রতিনিধিঃ এক অসহায় ও নির্যাতিতা মহিলার এফআইআর গ্রহণ না করার অভিযোগে এয়ারপোর্ট থানার ওসি সুশান্ত দেব এবং মহিলা সাব-ইন্সপেক্টর যমুনা রায় কে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। এয়ারপোর্ট থানা দীর্ঘদিন ধরে লিপিকা লোধ নামে এই মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে এফ আই আর গ্রহণ করছিল না ।এর জন্য মহিলাকে নানা ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। পরবর্তী সময়ে লিপিকা লোধ উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হন। উচ্চ আদালতের নির্দেশেই সাসপেন্ড হন ওসি এবং এসআই। পরে আদালতের নির্দেশে এফ আই আর গ্রহণ করে এয়ারপোর্ট থানা কর্তৃপক্ষ। এই এফ আই আর মূলে পুলিশ ঘটনার কি তদন্ত করেছে তা বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি এম এস রামাচন্দ্র রাও এবং বিচারপতি বিশ্বজিৎ পালিতের ডিভিশন বেঞ্চে তুলে ধরা হয়। ঘটনার সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করে এই মামলায় উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তা রাজ্য সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। আদালত স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে ,কোন নাগরিকের অভিযোগ যদি বিচার্য হয় বা কগনিজেবল অফেন্স প্রকাশ পায় তবে পুলিশকে আইন অনুযায়ী অবিলম্বে এফআইআর রেজিস্টার করতে হবে। এফআইআর গ্রহণে কোন মতেই গড়িমসি করা চলবে না। এদিন লিপিকা লোধের পক্ষে এই মামলায় আইনজীবী হিসেবে ছিলেন পুরুষোত্তম রায় বর্মন ,দেবজিত গোপ এবং উত্তরা সিনহা। এদিন লিপিকা লোধের পক্ষে আইনজীবী দেবজিত গোপ এই সংবাদ জানান।