img


সিপিএম করাই অপরাধ ,পুলিশের সামনেই নিজ বাড়িতে রক্তাক্ত স্বামী-স্ত্রী, মোহনপুরের হরিনাখলায় জনমনে আতঙ্ক


আইনেট  প্রতিনিধিঃ     সারা ভারত কৃষক সভার সমাবেশে সিপিআইএম সমর্থকদের উপস্থিতি কম্পন ধরিয়ে দিয়েছে শাসকদলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে। ফলে ১ সেপ্টেম্বরের পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে বেছে বেছে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিতেও চলছে এসএফআই কর্মীদের উপর আক্রমণ। সারা রাজ্যেই একটা নৈরাজ্য এবং আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের সামনেই বাড়িতে ঢুকে সিপিএম করার অপরাধে স্বামী ও স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে একদল দুষ্কৃতী। অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে। ঘটনা বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ মোহনপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হরিনা খলা এলাকার গোপাল সরকারের বাড়িতে। বাড়িতে তখন গোপাল সরকার এবং তার স্ত্রী নমিতা সরকার একাই ছিলেন ।স্থানীয় শাসক দলের দুষ্কৃতীরা প্রথমে তাদের বাড়িতে ঢুকে স্বামী এবং স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর করে। দুষ্কৃতিকারীরা ফিরে যাওয়ার পর পুলিশ খবর পেয়ে গোপাল সরকারের বাড়িতে আসে। পুলিশ যখন গোপাল সরকার এবং তার স্ত্রী নমিতা সরকারের কাছ থেকে অভিযোগ লিখছিল ঠিক সেই সময় ৫ থেকে ৭ জনের একটি দুষ্কৃতী দল আবার গোপাল সরকারের বাড়িতে প্রবেশ করে।তারা পুলিশের সামনেই এবার ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামী এবং স্ত্রীকে আঘাত করতে থাকে। এতে রক্তাক্ত হয়ে পড়ে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই। গোটা ঘটনা নীরব দর্শকের মত উপভোগ করে সিধাই থানার পুলিশ। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার তো দূরের কথা, তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেনি পুলিশ ,এমনটাই অভিযোগ। পরে খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা হরিনাখলায় গোপাল সরকারের বাড়িতে ছুটে যান ।তারা গুরুতর আহত এবং রক্তাক্ত স্বামী স্ত্রীকে উদ্ধার করে সিধাই মোহনপুর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখান থেকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় স্বামী ও স্ত্রীকে জিবি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। শুক্রবার আহত সিপিআইএম কর্মীদের দেখতে জিবি হাসপাতালে ছুটে যান সিপিআইএমের পশ্চিম জেলা কমিটির সম্পাদক তথা প্রাক্তন বিধায়ক রতন দাস। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।