
আইনেট প্রতিনিধিঃ গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে তেলিয়ামুড়ার মাইগঙ্গা চৌমুহনী সংলগ্ন এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর মোড়। প্রথমদিকে ঘটনাটি দুর্ঘটনা বলে মনে করা হলেও, মৃতের পরিবারের তরফে ওঠা গুরুতর অভিযোগে বদলে গেল তদন্তের গতিপথ।
উদ্ধার হওয়া মৃতদেহটি পরবর্তীতে তেলিয়ামুড়ার জয়নগর এলাকার বাসিন্দা প্রবীর দে ওরফে জুন-এর বলে শনাক্ত হয়। মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরু থেকেই নানা প্রশ্ন থাকলেও এবার মৃতের পরিবারের দাবি, এটি কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়—বরং পরিকল্পিতভাবে আঘাত করে খুন করা হয়েছে।
মৃতের পিতা প্রদীপ কুমার সরকার-এর অভিযোগ, তাঁর ছেলেকে কোনও শক্ত বস্তু দিয়ে আঘাত করে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই অভিযোগকে সামনে রেখে তিনি তেলিয়ামুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, মৃতের পিতার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তেলিয়ামুড়া থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৩(১) ধারায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার কেস নম্বর—TLM PS 54। অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ।
তবে ঠিক কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড—তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পরিবারের আনা অভিযোগের সত্যতা, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর নেপথ্যে অন্য কারও ভূমিকা রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
মাইগঙ্গায় রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে খুনের অভিযোগ সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। এখন পুলিশের তদন্তেই পরিষ্কার হবে—দুর্ঘটনার আড়ালে কি সত্যিই লুকিয়ে রয়েছে পরিকল্পিত হত্যার রহস্য?