
আইনেট প্রতিনিধিঃ কুমারঘাট থানাধীন পূর্ত ডাকবাংলা সংলগ্ন কুমারঘাট পৌর পরিষদের চার নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাড়ির ঘর থেকে উদ্ধার ৯০ বছরের বৃদ্ধের দেহ। মৃতের নাম গীরেন্দ্র কুমার দাস। বৃদ্ধকে খুনের অভিযোগ তুললো তার পুত্রবধূ।ঘটনায় চাঞ্চল্য কুমারঘাটে। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাড়িতে আলাদা ঘরে থাকতেন বৃদ্ধ। বুধবার সকালে চা দিতে ঘরে গিয়ে তাঁকে বিছানায় অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পুত্রবধূ সবিতা দাস। এরপরই শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। পুত্রবধূর দাবি, বৃদ্ধের মুখের উপর বালিশ চাপা অবস্থায় ছিল। ঘরের আলমিরাও ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান তিনি। তাঁর অভিযোগ, আলমিরায় থাকা প্রায় ৬০ ভরি স্বর্ণালংকার, জমির কাগজপত্র ও ব্যাংকের নথি কিছুই নেই ঘরে। ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন তিনি।মৃত ব্যক্তি রাজ্য সরকারের পূর্ত দপ্তরের প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন।খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে ভিড় জমান স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। খবর পেয়ে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ডেভিড দেববর্মার নেতৃত্বে অকুস্থলে পৌঁছায় কুমারঘাট থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে আনা হয় ফরেনসিক টিমও।পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে ঘরের আলমিরা খোলা এবং কাপড়চোপড় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায় এলোমেলো অবস্থায়। তবে বৃদ্ধের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনাটি খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা পুলিশ আধিকারিক। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় হাসপাতালে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই স্পষ্ট হবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ। তবে পুত্রবধূর হত্যার অভিযোগ এবং ঘরের আলমিরা ভাঙা অবস্থায় পাওয়ায় ঘটনাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য। ঘটনায় মৃতের পরিবারের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।