img


ভারতীয় সেনাবাহিনী সেনাদের জন্য ভারত রাইস চালু করল


আইনেট  প্রতিনিধিঃ   সেনাবাহিনী এবং ভারতীয় খাদ্য নিগম এফসিআই – এর মধ্যে একটি সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়। পরিচালনগত জরুরি অবস্থাতে এফসিআই – এর পরিকাঠামো ব্যবহারের স্বার্থেই এই সমঝোতাপত্র। এই উন্নতমানের চাল লাদাখ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল সহ সেনা সাপ্লাই ডিপো’'তে সরাসরি পাঠানো হবে। স্থানীয়ভাবে এফসিআই – এর গুদাম থেকে সেনা ডিপো’তে সংগ্রহ করার পরিবর্তে এই ব্যবস্থা চালু করা হ’ল।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভারত রাইস’কে এক বিশ্বাসের বন্ধন বলে আখ্যা দেন। কৃষকদের ফসলের ক্ষেত থেকে সেনাদের খাবারের থালায় তা শোভা পাবে। এই উদ্যোগ ‘জয় জওয়ান, জয় কিষাণ’ – এর প্রত্যক্ষ রূপ বলেও বর্ণনা করেছেন তিনি। প্রত্যন্ত ও দুর্গম গিরিপথেও সেনাদের জন্য এই রেশন ব্যবস্থা পাঠানো হবে বলে জানান তিনি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আরও বলেন, কর্মক্ষেত্রে জরুরি অবস্থায় সেনাদের জন্য অস্ত্রই শেষ কথা নয়, তাঁদের স্বাস্থ্য, মানসিক ভারসাম্য, বিশেষ করে কঠিন ও বিরুদ্ধ পরিবেশের মধ্যে কাজ করার ক্ষেত্রে মানসিক দৃঢ়তা নির্ণায়ক হিসেবে দেখা দেয়। তিনি বলেন, সেনাদের কল্যাণ কোনও আনুষঙ্গিক বিষয় নয়। জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থে একে অভিন্ন অঙ্গ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আধুনিক যুদ্ধ কৌশলের ক্ষেত্রে অস্ত্র এবং প্রযুক্তি কেবল গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নয়, সেইসঙ্গে লজিস্টিক সেনা শক্তির পরিপূরক। সরবরাহ-শৃঙ্খল, পরিবহণগত নেটওয়ার্ক, গুদাম পরিকাঠামো এবং সময় মতো খাদ্য ভাণ্ডার পূর্ণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। এফসিআই – এর সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর এক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন শ্রী সিং। 
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ বিমান এখন এক্সপ্রেসওয়ে’তে অবতরণ করতে পারে। স্থানীয় অধিবাসীদের ব্যবহারের স্বার্থে সড়ক সেতু তৈরি করছে সীমা সড়ক সংগঠন। ঠিক তেমনই এফসিআই গুদামগুলি কেবল খাদ্য মজুত করে রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভারত্তীয় সেনাদের সরবরাহ-শৃঙ্খলে তারা এক অভিন্ন পরিপূরক হয়ে উঠবে।
শ্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেন, দেশ রক্ষার কাজে যাঁরা নিয়োজিত, সেই সেনা-স্বার্থে ভারত রাইস উদ্যোগ এক গর্বের বিষয়। উন্নতমানের চাল তাঁদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টায় কোনও ত্রুটি থাকবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। 
সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ, খাদ্য ও গণবন্টন সচিব শ্রী সঞ্জীব চোপড়া প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।