
আইনেট প্রতিনিধিঃ সমাজমাধ্যমে এবার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিল ককরোচ জনতা পার্টি। তাদের নাম করে টাকা তোলা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। এ প্রসঙ্গে CJP-র তরফেই এক্স হ্যান্ডেলে বিষয়টি জানিয়ে লেখা হয়েছে, "আমাদের নজরে এসেছে যে কিছু মানুষ আটকদের আইনি সহায়তা দেওয়ার কথা বলে CJP-র নামে টাকা দাবি করছেন। আমরা স্পষ্ট করতে চাই যে, এদের সঙ্গে CJP-র কোনও সম্পর্ক নেই। আমরা সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যে তাঁরা যেন এই সমস্ত মানুষকে কোনও অর্থ না দেন। দয়া করে, CJP-র অফিসিয়াল মাধ্যমগুলিতে এ ধরনের দাবির সত্যতা যাচাই করে নিন।" জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ দেখাতে যাওয়া তো দূরের কথা, শনিবার, দিল্লির মাটি ছোঁয়ারই সুযোগ পাননি। দিল্লিতে নামার পর, বিমানের ভিতর থেকেই ককরোচ জনতা পার্টির তিন শীর্ষ নেতা, অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এর ২৪ ঘণ্টা পর, শর্তস্বাপেক্ষে মুক্ত হওয়ার পর, তিনজনই একযোগে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। শনিবার যন্তরমন্তর ও আশেপাশের গোটা এলাকাকে দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত করেছিল দিল্লি পুলিশ। রবিবার সকালে,দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট পুলিশ স্টেশনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয় অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। এক বছর কোনও শান্তিভঙ্গ করা যাবে না, এই শর্তে এবং ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দেন ম্যাজিস্ট্রেট।