
আইনেট প্রতিনিধিঃ পারিবারিক মহিলা সংক্রান্ত বিবাধ সহ পুরুস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে পুরুস্কার প্রদান কে ঘিরে সার্বজনীন পূজো মন্ডপে অনধিকার প্রবেশ করে ভাঙ্গচুর সহ উওেজনা ছড়ানোর প্রতিবাদে অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি প্রদানের দাবিতে পানিসাগর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীদের।ঘটনাটি ঘটে পানিসাগর থানাধীন পূর্ব রৌয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম নয়দ্রোন এলাকার চার নং ওয়ার্ড এলাকায়।বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীরা জানায়,পশ্চিম নয়দ্রোন এলাকার চার ও পাঁচ নং ওয়ার্ডের সংযোগ স্থলে মোট চারটি পঞ্চায়েত এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় সার্বজনীন দূর্গা পূজা।এই পূজো চলাকালীন এলাকার সুষ্ঠু ও শান্তিময় পরিবেশ বিঘ্নিত করতে এলাকারই এক দোকান ব্যাবসায়ী প্রদিপ দেব নাথ,পিতা শান্তি রঞ্জন দেব নাথ ও ওর স্ত্রী লক্ষীরানী দেব নাথ মুদি দোকানের অন্তরালে অবৈধ বিলিতি মদ,গাঁজা ও তীর জুয়ার কারবার চালিয়ে যাচ্ছে।এই নিয়ে বিগত অষ্টমী দিন রাএিতে পানিসাগর পুলিশ ঐ বাড়িতে হানা দিয়ে প্রায় বারো কার্টুন অবৈধ বিলিতি মদ সহ প্রায় তিন কিলোগ্রাম গাঁজা বাজেয়াপ্ত করে পানিসাগর থানায় নিয়ে আসে।যদিও পুলিশি হানার টের পেয়ে বাড়ি মালিক তাৎক্ষণিক ভাবে পালিয়ে যাওয়াতে কাউকে আটক করতে পারেনি পানিসাগর পুলিশ।পূজো উদ্যোক্তারা জানান,এই মদ বাজেয়াপ্তের জের ধরেই দশমী দিন রাএি আনুমানিক ১২/৩০ মিনিট নাগাদ পূজো মন্ডপে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ টেবিল চেয়ার ভাঙ্গচুর চালায় প্রদিপ এর ছোট ভাই তথা পাঁচ নং ওয়ার্ডের কংগ্রেস সমর্থিত নির্বাচিত সদস্য শান্তনু দেব নাথ ও দুই ভাতিজা প্রীয়তোষ দেন নাথ এবং মনিষ দেন নাথ,পিতা প্রদিপ দেব নাথ।এই নিয়ে পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজয়া দশমীতে মায়ের বিসর্জন শেরে সন্ধ্যা পর্যন্ত পূজো মন্ডপে বিষয়টি নিয়ে মিমাংশা করতে উদ্যত হলে দীর্ঘক্ষণ শান্তনুর জন্য অপেক্ষা করে নিরাশ হয়ে রাএি আনুমানিক সাতটা নাগাদ উভয় এলাকার প্রায় দুই শতাধিক লোকজন বিক্ষোব্ধ হয়ে সঠিক বিচার চেয়ে হাজির হয় পানিসাগর থানায়।এরা ক্ষোভ জানিয়ে বলে,মূলত পানিসাগর পুলিশ কতৃক অবৈধ মদ ধরা কে ঘিরেই এই অপ্রত্যাশিত ঘটনা।পুরুস্কার বিতরণ বিষয়টি এখানে মূখ্য নয়।প্রদিপ,শান্তনু ও প্রদিপের স্ত্রী লক্ষীরাণী এলাকায় অবৈধ বিলিতি মদ সহ গাঁজা কারবার ও তীর জুয়া চালিয়ে এলাকার শান্তিপ্রীয় পরিবেশ বিশিয়ে তুলেছে।এই নিয়ে এলাকাবাসীরা বার কয়েক পানিসাগর থানায় অভিযোগ জানানো সত্বেও কাজের কাজ কিছুই হয় নি।বরং এরা নিকি বলে পানিসাগর থানার পুলিশ তাদের পকেটে থাকে,তাই পানিসাগর পুলিশ তাদের কিছুই করতে পারবে না।এলাকাবাসীরা আরো জানায়,অষ্টমি রাএিতে অবৈধ বিলিতি মদের সাথে নিকি তিন কিলোগ্রাম গাঁজা বাজেয়াপ্ত করে পানিসাগর পুলিশ।কিন্ত আশ্চর্যের বিষয় হলো,জলাবাসা নয়দ্রোন এলাকা থেকে পানিসাগর থানায় আসার পথে গাড়ি থেকেই মাঝপথে রহস্যজনক ভাবে গাঁজা গুলো উদাও হয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে দোয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে গোটা পানিসাগর মহকুমা জুড়ে।এছাড়াও বিগত অষ্টমী রাএিতে অবৈধ বিলিতি মদ আটকের বিষয়েও অভিযোগ শোনা যাচ্ছে।আটক কৃত মদের পরিমানের চেয়ে অনেক কম পরিমান মদ সিজ করা হয়েছে।এই নিয়ে পানিসাগর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন বিক্ষুব্ধ জনগন।যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগের ভিওিতে পানিসাগর থানার পুলিশ প্রীয়তোষ নামক এক অভিযুক্ত কে আটক করতে সক্ষম হয়।তবে আসল অভিযুক্তরা প্রকাশ্য ময়দানে ঘোরাফেরা করলেও পানিসাগর পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি।ইদানীং কালে পানিসাগর মহকুমা জুড়ে তীর,জুয়া,মদ সহ অন্যান্য অবৈধ নেশা কারবারিদের আটকের পরিবর্তে বিশাল মোটা অংকের বিনিময়ে পার পাইয়ে দেবার অভিযোগ উটতে শুরু করেছে পানিসাগর থানার পুলিশের বিরুদ্ধে।এই ধরণের অবৈধ পুলিশি বাণিজ্য বন্ধে রাজ্য পুলিশ মন্ত্রী সহ মূখ্য মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করছেন পানিসাগর মহকুমার জনগন।