img


তেলিয়ামুড়ায় এবার রেশন বণ্টন ব্যবস্থাকে ঘিরে উঠল একাধিক গুরুতর অভিযোগ


 আইনেট প্রতিনিধিঃ    সরকারি রেশন সামগ্রী বণ্টনে অনিয়ম, প্রাপ্য চাল না পাওয়া, বরাদ্দকৃত চিনির অনুপস্থিতি এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া রেশন দোকান পরিচালনার অভিযোগে রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ গ্রাহকরা। প্রশ্ন উঠছে, খাদ্য দপ্তরের নজরদারি ঠিক কোথায়? সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকার থাকা সত্ত্বেও কেন বারবার বঞ্চনার শিকার হতে হবে গরিব ও সাধারণ মানুষকে?

অভিযোগের কেন্দ্রে তেলিয়ামুড়া মহকুমা খাদ্য দপ্তরের অধীন পূর্ব লক্ষ্মীপুর ভিলেজ কাউন্সিল এলাকার চামপ্লাই ৫৬ নম্বর রেশন দোকান। কাগজে-কলমে এই দোকানের ডিলার কৃষাণ দেববর্মা। কিন্তু অভিযোগ, বাস্তবে হৃদয় মিয়া ও রাসেল মিয়া নামে দুই যুবক দোকানটি পরিচালনা করছেন।

রেশন গ্রাহকদের অভিযোগ, এই দোকানের অধীন এপিএল কার্ডধারীরা প্রতি মাসে তাঁদের প্রাপ্য চাল ঠিকমতো পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, মন্ত্রীর ঘোষণায় লক্ষ্মী পূজার আগে বিনামূল্যে প্রতি কার্ডে এক কেজি চিনি, দুই কেজি ময়দা ও ৫০০ গ্রাম সুজি দেওয়ার কথা থাকলেও গ্রাহকদের অভিযোগ, তাঁরা ময়দা ও সুজি পেলেও চিনির দেখা পাচ্ছেন না।

অন্যদিকে, প্রাপ্য রেশন সামগ্রী না পাওয়ার প্রতিবাদে রবিবার সকাল থেকেই সংশ্লিষ্ট দোকানের সামনে বিক্ষোভে শামিল হন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। তাঁদের প্রশ্ন, সরকারের পক্ষ থেকে বরাদ্দ করা সামগ্রী যদি সত্যিই মজুত থাকে, তাহলে সেই সামগ্রী তাঁদের হাতে পৌঁছাচ্ছে না কেন? আর যদি সামগ্রী মজুত না থাকে, তাহলে তার দায়ভার কার?

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে দোকান পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রাসেল মিয়া সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে দাবি করেন, ডিলার কৃষাণ দেববর্মা নাকি সাধারণ মানুষের প্রাপ্য চালের বস্তা নিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু কেন সেই চাল নিয়ে যাওয়া হয়েছে, কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তার যথাযথ হিসাব রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে অভিযোগ।