
আইনেট প্রতিনিধিঃ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্যের ভৌগলিক অবস্থান ।এর সুযোগ নিয়েই পাচারকারীরা সক্রিয় রয়েছে ।তবে তাদের এই সক্রিয়তা বেশিদিন জারি থাকবে না। এর বিরুদ্ধে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে সরকার। মঙ্গলবার রাজ্য সফরে এসে কাস্টমস এবং জিএসটি'র উচ্চ পদস্থ আধিকারিক কুল প্রসাদ সিং এমনটাই জানিয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কাস্টম এবং জিএসটির উচ্চপদস্থ আধিকারিক কুল প্রকাশ সিং জানান, ২০১৭ সালে জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে রাজ্যে প্রথমবারের মতো একজন নিয়মিত কমিশনার নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি কাস্টমস এবং জিএসটির বিষয়গুলি সুন্দরভাবে দেখভাল করছেন। এর ফল স্বরূপ রাজ্যের জিএসটি সংগ্রহের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি জানান, জিএসটি প্রক্রিয়ায় যারা ৫ কোটি বা তার বেশি পণ্য পরিষেবা কর প্রদান করেন তাদের বিষয়টি পৃথকভাবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কিছু ব্যবসায়ী জিএসটি ফাঁকি দিয়ে চলছেন। সদ্য অনুষ্ঠিত ৫৭ তম জিএসটি কাউন্সিল বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের প্রক্রিয়া সংযোজন করা হয়েছে। কাস্টমস প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি জানান ,রাজ্যের ভৌগলিক অবস্থানের কারণে পাচারকারীরা মাঝে মাঝে ড্রাগস, স্বর্ণ, পশু ,জিরা প্রভৃতি পাচারে সক্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এই ব্যবস্থা বেশি দিন চলবে না। পাচার রোধে প্রশাসন আরও বেশি কঠোর মনোভাব গ্রহণ করছে বলে জানান তিনি।